ফেসপ্যাক তৈরির সবচেয়ে সহজ উপায়

ত্বকের সোন্দর্যের কৌশল এর টিপসের ছড়াছড়ি সবদিকে। সময়ের পর সময় এই রূপচর্চা করেই কাটিয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু আধুনিক নারীর কী এখন সেই সময় আছে?ত্বকের রূপচর্চার জন্য ঘন্টা দূরে থাক, ৫ মিনিট সময়ও পাওয়া যায় না।কী করবেন ব্যস্ত এই নারীরা? আর আজ আপনাদের জন্য আজ রইলো সহজতম ফেসপ্যাক তৈরির কৌশলটি।  কম সময়ে এবং মাত্র ২ টি উপকরণে তৈরি হবে এই ফেসপ্যাক।

 ফেসপ্যাক তৈরির উপায়-

ফেসপ্যাক তৈরির সবচেয়ে সহজ উপায়

ফেসপ্যাক তৈরির সবচেয়ে সহজ উপায়

এই ফেসপ্যাক তৈরী করার জন্য কী কী উপকরণ প্রয়োজন লাগবে? কী দরকার হবে দুই চা চামচ মধু এবং আধা লেবুর রস। আর কিছু লাগবে না, শুধু এই দুইটিই উপাদান প্রয়োজন। একটি বালটিতে মধু এবং লেবুর রস ভালো করে মিশান। মুখ ভালো করে ধুয়ে এই মিশ্রণ মুখে ভালোভাবে লাগান। এর আগে মুখে স্টিম দিতে লাগাতে পারেন। তবে এক্সফলিয়েট করার পর এটা মুখে দেবেন না, কেননা লেবুর রসের কারণে মুখ জ্বলাপোড়া সৃষ্টি হতে পারে।বিশ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ১ম এ কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে পরে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এর ফলে ত্বকের জ্বালাপোড়াগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। তারপর মুখ আলতো করে ধুয়ে ফেলুন। রাত্রে ঘুমানোর আগে এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করুন। ব্যবহার করার পর ভালো একটি ময়েশ্চারাইজার মুখে দিন।

এই ফেসপ্যাকের উপকারিতাগুলো হলো-

– ব্রণ দূর করে

– মুখ পরিষ্কার রাখে

– পোর ছোট করে

– ত্বক মসৃণ করে

– জ্বালাপোড়া দূর করে

– ত্বকে দীপ্তি নিয়ে আসে

-ত্বকের শুকনোভাব দূর করে

– ত্বক থেকে ব্যাকটেরিয়া দূর করে

– ত্বকের রঙ উজ্জ্বল করে

কীসের ,মাধ্যমে এসব উপকারিতা পাওয়া যায়। লেবুর রসে থাকে আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড যা ত্বককে এক্সফলিয়েট করতে সাহায্য করে থাকে। এসব ত্বকের মৃত কোষ দূর করে ত্বক থেকে ময়লা ওঠায়, মেকআপ তুলে ফেলে এবং পোর খুলে ফেলতে সাহায্য করে থাকে। বিভিন্ন স্কিনকেয়ার প্রোডাক্টে আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড থাকে বটে কিন্তু ঘরে লেবুর রস ব্যবহার করলে আপনি এই উপকারিতা পাবেন। তবে এই প্যাক ব্যবহার করার পরে যদি বাইরে যান তাহলে অবশ্যই ভালো সানস্ক্রিন মুখে দিয়ে বের হবেন। এটা তো গেলো লেবুর রসের উপকারিতা। মধু হলো প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল।যেটা আপনার ত্বককে রাখে সুস্থ, প্রাকৃতিকভাবেই।