অনেকেরই হাতের আঙুল ও পুরো হাতের তুলনায় আঙুলের গিঁটে কালচে ধরণের দাগ থাকে যা হাতের সৌন্দর্য একেবারেই নষ্ট করে দেয়। এছাড়াও পায়ের পাতার কালচে দাগের কারণেও একই ধরণের সমস্যায় পড়েন অনেকেই। এই সমস্যা সমাধানের দারুণ কার্যকরী ৩ টি উপায় রয়েছে। আজকে চলুন জেনে নেয়া যাক এমনই ৩ টি কার্যকরী উপায় যা ফিরিয়ে দিতে পারে আপনার হাতের সৌন্দর্য।

মাত্র ৩ টি উপায়ে দূর করুন আঙুলের গিঁটের কালচে দাগ

মাত্র ৩ টি উপায়ে দূর করুন আঙুলের গিঁটের কালচে দাগ- 

 

১) ব্লিচ পদ্ধতিঃ ঘরেই শুধুমাত্র লেবু ও মধুর মাধ্যমে ব্লিচ করে এই কালচে গিঁটের সমস্যার সমাধান করতে পারেন। লেবুর ব্লিচিং এজেন্ট কালচে দাগ দূর করে এবং মধুর প্রাকৃতিক ময়েসচারাইজার ত্বকের রুক্ষতা দূর করে মসৃণভাব ফুটিয়ে তোলে।

– ১ চা চামচ মধুতে ১ চা চামচ তাজা লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর এই মিশ্রণটি হাতের আঙুলের গিঁটে ভালো করে লাগিয়ে নিন।

– মাত্র ১ মিনিট ম্যাসেজ করে নিন এই মিশ্রণটি আঙুলের গিঁটে এবং পায়ের পাতার কালচে দাগের উপরে।

– এরপর ১০ মিনিট এভাবেই রেখে দিন। তারপর পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে মুছে নিন। সপ্তাহে ৩ দিন ব্যবহারে খুব দ্রুত কালচে দাগ দূর হয়ে যাবে।

২) আমন্ড অয়েলের ব্যবহারঃ আমন্ড অয়েল অর্থাৎ কাঠবাদামের তেল ত্বকের জন্য খুবই কার্যকরী একটি উপাদান। শুধুমাত্র আমন্ড অয়েলের ব্যবহারেই এই কালচে দাগ দূর করে দিতে পারেন আপনি।

– প্রতিদিন কয়েক ফোঁটা আমন্ড অয়েল আঙুলের এই কালচে দাগের উপর এবং পায়ের পাতার কালো হয়ে যাওয়া অংশের উপরে ম্যাসেজ করুন।

– ২-৩ মিনিট প্রতিদিন এভাবে ম্যাসেজ করে নিলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই রুক্ষতা ও কালচে ভাব দূর হয়ে যাবে।

৩) বেকিং সোডা ও গ্লিসারিনের ব্যবহারঃ বেকিং সোডার ব্লিচিং এজেন্ট কালচে দাগ দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী এবং গ্লিসারিন ত্বকের মসৃণতা ধরে রাখবে দীর্ঘসময়।

– একটি বড় বোলে কুসুম গরম পানি নিয়ে এতে কয়েক চামচ বেকিং সোডা এবং ১ চা চামচ গ্লিসারিন এবং ১ চ চামচ গোলাপজল ভালো করে মিশিয়ে নিন।

– এই পানিতে হাত ও পা ডুবিয়ে রাখুন ৫-১০ মিনিট। এরপর কালচে দাগের উপর ভালো করে ম্যাসেজ করে নিন। – সপ্তাহে ২ বার ব্যবহারেই ভালো ফলাফল পাবেন।